বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রূপসী পাড়ায় হত-দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ- জেদ্দা-লন্ডনে গোপন বৈঠক করে লাভ নেই বললেন ওবায়দুল কাদের একাধিক নাশকতার সাথে জড়িত এমদাদুল গ্রেফতার এড়াতে এখন লিজিং কোম্পানীর কর্মকর্তা- কুষ্টিয়ায় বালিয়াপাড়ায় র‌্যাবের অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ আটক-২ দেশে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হয়ে গেছে- হাওড়া মংলা হাটের ফুটপাথ ব্যবসায়ী সমিতি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামলেন- ডাকাতদলে আওয়ামী লীগ নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী! মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি সাথে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব কেপিসি’র মতবিনিময় সভা- রোয়াংছড়িতে নারী ও শিশু উন্নয়নের সচেতনামূলক যোগাযোগ শীর্ষক কার্যক্রম কর্মশালা- চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার মহাসড়ক সংস্কারের মহাপরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে সরকার- মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপির সাথে নবগঠিত কুষ্টিয়া জেলা ইউনাইটেড অনলাইন প্রেসক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ-
ঘোষণা:

ক্ষমতার লোভে মানুষ যে এত নোংরামী করতে তা ভিসি ও তার দেখলে বোঝা যা।

নিউজ এর দ্বিতীয় অংশকে কে এম শাহীন রেজা কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি, সময়ের পথ

তারা আরও বলেন, ড. মাহবুব প্রক্টরের দায়িত্ব পালনকালে ক্যাম্পাস ছুটির পরে ড্রাইভার পোল্লাদ ও ছাত্র রাকিবকে নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বেড়িয়ে পরতেন। ড্রাইভার পোল্লাদ একদিন মাদকসহ ধরা পরেছিল। সেই মাদকের প্রকৃত মালিককে আজও তা জানা যায়নি। এছাড়াও প্রক্টর মাহবুব গভীর রাতে পোল্লাদের গাড়িতে চরে শহরের কোথায় যেতেন যা আজও রহস্যময়। এছাড়া ছাত্রনেতা লালন ভিসি ও ড. মাহবুবের অপকর্মের বিরোধীতা করায় লালনের বাড়িতে সন্ত্রাসী বাহিনী পাঠানো হয়েছিল লালনকে হত্যার উদ্দেশ্যে এমন অভিযোগও রয়েছে ড. মাহবুবের বিরুদ্ধে। এছাড়া রাকিব মাদক ও অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত আছে বলে শোনা যায়। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগটি আজও প্রমাণিত না হওয়ায় অভিযোগটি কতটুকু সত্য তা জানা যায়নি। তারা বলেন, যাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ শোনা যায়। অভিযোগগুলো সত্য কি মিথ্যা আমরা জানিনা। তবে তারা সর্বক্ষেত্রে অতিমাত্রাই বাড়াবাড়ি করে চলেছে, যা ঠিক নয়। কারণ অনেক ঘটনার প্রমাণ করতে গেলে দেখা যাবে ‘ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি কলা খায়নি’। এমনটি হবে তাদের বিষয়ে। তারা আরও বলেন, নিজেদের দোষ ঢাকতে আর কত নিচে লামবে ইবি ভিসির অনুসারীরা?

প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে ছাত্রনেতা লালন বলেন, ক্ষমতার লোভে মানুষ যে এত নোংরামী করতে তা ভিসি ও তার দেখলে বোঝা যায়।

মীর মোর্শেদ বলেন, ২০১৬ সালে আমি বর্তমান ভিসি ও সাবেক প্রক্টর মাহবুবের ইন্ধনে তৎকালীন ভিসির পক্ষ নিয়ে ভিসি বিরোধীদের বিপক্ষে অবস্থান নেয়ায়, আমি রক্তাত্ব হয়। কিন্তু যখন বুঝতে পারি বর্তমান ভিসি ও ড. মাহবুব আমাকে ব্যবহার করছে তখন আমি তাদের সঙ্গ ত্যাগ করি।

প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক স্বপন বলেন, ইবিতে বর্তমানে কঠোর শাসন চলছে। ভিসির পক্ষে থাকলে ফেরেস্তা আর বিপক্ষে থাকলে তাকে হতে হয় হেনেস্তা। আমি ভিসির বিপক্ষে থাকায় আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয়েছে। কিন্তু আমি দোষি না হওয়ায় আমার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি আজও।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন