সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রূপসী পাড়ায় হত-দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ- কুষ্টিয়ায় দৌলতপুরে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করার পরও চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন- কুষ্টিয়া এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ উপার্জনের অভিযোগ- নওগাঁ রানীনগরে রেলওয়ে জায়গার দোকান ঘর উচ্ছেদে প্রায় ১৬ কোটি টাকার ক্ষতি পথে বসেছে ২৮৪ পরিবার- কুড়িগ্রামে মহিলা পরিষদের নারী ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন- কালিয়ায় বালু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা- দশমীর চিকিৎসায় আবারো আর্থিক সহায়তা দিলেন লৌহ মানব মোহাম্মদ আলী চৌধুরী- ঢাকায় শুভ হত্যার রহস্যের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি কালীগঞ্জে মানববন্ধন- কৃষি বিল নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন বিরোধীরা-বিজেপি নেতা জয় প্রকাশ মজুমদার কালীগঞ্জে সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে তপন সাধুর প্রতারণা! কুষ্টিয়ার দাদা রাইস ব্রান্ডের নামে বরিশাল বাজারে যাচ্ছে নিন্মমানের চাল-
ঘোষণা:

খাগড়াছড়ির হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ-

শাহাদাত হোসেন খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,সময়ের পথঃ-

খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এমপিওভুক্তি নিয়ে প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতি জালিয়াতি ও সেচ্ছাচারিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী এনটিআরসির সুপারিশকৃত শিক্ষককে বাদ দিয়ে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে অনিয়ম দূর্নীতি ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মরত খণ্ডকালীন শিক্ষকদের ভুয়া নিয়োগ দেখিয়েছেন।

এনটিআরসি কর্তৃক সুপারিশকৃত ভুক্তভোগী শিক্ষক সায়মন মারমা জানান, গত ২৭/১০/২০১৬ ইং তারিখে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে আমি হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করি।পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন আমার কাছে নগদ ১ লক্ষ টাকা নেয় এবং আরো ৫০ হাজার টাকা দিতে চাপ প্রয়োগ করে। আমি আরো ৫০ হাজার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উনি আমাকে স্কুলে আসতে নিষেধ করেন এবং সুকৌশলে উনার নিকট আত্মীয় সুলতানাকে পূর্বের নিয়োগ দেখিয়ে এমপিওভুক্ত করার জন্য ফাইলপত্র তৈরি করে পাঠান।

আমি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ২১/০৬/২০২০ ইং তারিখে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসে অভিযোগ করলে, তিনি বিভিন্ন জায়গায় দেনদরবার করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।সর্বশেষ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে মীমাংসা হওয়ার কথা থাকলেও যা আজ অবধি মীমাংসা হয়নি৷ উল্লেখ্য যে, প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন জালিয়াতির মাধ্যমে আরও একজন শিক্ষক ফরিদ উদ্দিনকে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে পূর্বের নিয়োগ দেখিয়ে এমপিওভুক্ত করেন। এছাড়াও সার্টিফিকেট সমস্যা আছে এমন শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার জন্য তোড়জোড় করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এইসব অনিয়ম দূর্নীতি ও জালিয়াতির বিষয়ে হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি তার বিরুদ্ধে এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং পরে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন।

প্রধান শিক্ষকের এইসব অপকর্ম জালিয়াতির বিষয়ে জানতে চাইলে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চাইথোয়াই চৌধুরি বলেন, আমিতো সব বিষয়ে জানতাম না। প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন আমার সাথে মিথ্যা কথা বলে এবং আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে প্রতারণা করেছে। সে কৌশলে আমাকে বিপাকে ফেলে, আমার বিশ্বাসের অমর্যাদা করেছে। তার ব্যাপারে অচিরেই আমরা কঠিন সিদ্ধান্ত নিবো।

এই ব্যাপারে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব সাধন কুমার চাকমা বলেন, ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন এবং বিধি মোতাবেক খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন