রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রূপসী পাড়ায় হত-দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ- কৃষি বিল নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন বিরোধীরা-বিজেপি নেতা জয় প্রকাশ মজুমদার কালীগঞ্জে সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে তপন সাধুর প্রতারণা! কুষ্টিয়ার দাদা রাইস ব্রান্ডের নামে বরিশাল বাজারে যাচ্ছে নিন্মমানের চাল- শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশের সকল নদী শাসনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে- পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক নওগাঁর মান্দায় প্রেমের টানে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকা ভোর ৪টায়- কুমারখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ- জনদুর্ভোগ চরমে কালিয়ার ডুমুরিয়া গ্রামের রাস্তার বেহাল অবস্থা- ফুলবাড়ীতে মহিলাসহ গরু চোর চক্রের তিন সদস্য আটক- কুষ্টিয়ায় বিট পুলিশিং কর্মশালার শুভ উদ্বোধন- কুষ্টিয়া জেলা আ’লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খাঁন একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক-
ঘোষণা:

‘ভয়ঙ্কর চাঁদাবাজ’ জেমি

ডেস্ক নিউজ,সময়ের পথঃ-

এমপি মন্ত্রীরা তার কাছের লোক। কথায় কথায় মিথ্যা মামলার ভয়। প্রয়োজনে পুলিশের ভয়। এগুলো সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাহাদপুর উপজেলার নাবীয়া অরফে জেমির এলাকার মানুষকে অত্যাচার এবং চাঁদাবাজির অস্ত্র। এলাকায় সম্প্রতি তাকে ‘শাহজাদপুরের পাপিয়া’ হিসেবে সাবাই ধারণা করছে।
উপজেলার তালগাছী এলাকার মোকছেদ প্রামাণিকের মেয়ে নবীয়া ওরফে জেমি (৩৮)। তার অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকার মানুষ। কথায় কথায় গালিগালাজ, মারপিট, হুমকি, মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশের ভয় দেখিয়ে এলাকার অনেকেরই কাছ থেকে মোটা টাকা আদায় করাই ছিল জেমির কাজ।
সম্প্রতি সোস্যাল মিডিয়ায় একজন সংসদ সদস্যকে জড়িয়ে নানা কটূক্তি ও অশোভন মন্তব্য করায় তেজগাঁও থানায় দায়েরকৃত সাইবার ক্রাইম মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি জেল হাজতে। এই সুযোগে মুখ খুলছেন জেমির দ্বারা অত্যাচারিতরা।
অভিযোগ রয়েছে, এমপি-মন্ত্রীসহ উপরমহলের অনেকেরই নাম ভাঙিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে জেমি। প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অপকর্ম করে আসছেন তিনি। তার নির্যাতনের তালিকায় বাদ পড়েনি নিজের বোন, আত্মীয়-স্বজন, মুক্তিযোদ্ধা, উকিল, জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও নিরীহ জনমানুষ। প্রাণভয়ে তার অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।
গতকাল শনিবার সরেজমিন উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, ইউপি সদস্য দুলাল হোসেন, জেমির চাচা মণিরুজ্জামান, সেলিম, আমেনা, আব্দুল মতিন, আব্দুর রশিদ, আব্দুল মান্নান রতনসহ এলাকার নির্যাতিত অনেকেই অভিযোগ করে জানান, এমপি মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে নিরীহ মানুষকে ভয় দেখিয়ে বিপুল অর্থ আদায় করাই মূলত জেমির প্রধান কাজ। চাঁদাবাজির এ কাজে জেমি কখনও নিজে বাদী হয়ে আবার কখনও তার কাজের মেয়েদের বাদী করে মামলা ও পুলিশের ভয় দেখিয়ে নিরীহ মানুষজনকে ফাঁসিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে বিপুল অর্থের মালিক তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন