শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রূপসী পাড়ায় হত-দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ- মোঃ ময়েন উদ্দিন কে ১৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই এলাকাবাসী- বিজেপি সরকারের মানুষ মারা কৃষি বিলের প্রতিবাদে লেলিন মূর্তির সামনেথেকে মহা মিছিল করলেন সিপিএম ও কংগ্রেস যৌথভাবে- কেন্দ্র সরকারের কালা আইনের বিরুদ্ধে কৃষকদের বিক্ষোভ সমাবেশ ধর্মতলায়- ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শুভর অস্বাভাবিক মৃত্যু লালমনিরহাটে শোকের ছায়া- কুষ্টিয়ায় চালকল মালিকদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়- দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের জরুরী হস্তক্ষেপ প্রয়োজন- জলাশয় থেকে এক ব্যক্তির পচাগলা মৃত দেহ উদ্ধার মালদা জেলার নিমতলা এলাকা থেকে- করোনায় আক্রান্ত হয়ে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেলেন এক পুলিশ কর্মী- কুষ্টিয়ায় চাল আত্মসাতের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান সহ ৪ জন কারাগারে- কুষ্টিয়ায় পপুলার ডায়াগনস্টিক এর বিরুদ্ধে রুগীর সাথে প্রতারণা: থানায় অভিযোগ-
ঘোষণা:

মিতু হত্যা মামলায় শাহজাহানকে দুই দিনের রিমান্ডে পেল পিবিআই-

ডেস্ক রিপোর্ট,সময়ের পথঃ-

মিতু হত্যা শাহজাহানকে রিমান্ডে পেল পিবিআই
চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় গ্রেফতার মো. শাহজাহানকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালত এ আদেশ দেন। একই আদেশে অপর দুই আসামি মো. আনোয়ার হোসেন ও মোতালেব মিয়াকে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেয়া হয়েছে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) এন এম নাছির উদ্দীন জানান, ‘ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পক্ষ থেকে তিন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। কিন্তু শুনানি শেষে আদালত শাহজাহানের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অপর দুই আসামি আনোয়ার হোসেন ও মোতালেব মিয়ার রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাদের জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।’

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় খুন হন চট্টগ্রামে বিভিন্ন জঙ্গিবিরোধী অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু।

পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদফতরে যোগ দিয়ে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল। তার আগে তিনি চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন বাবুল আক্তার নিজেই। এরপর ওই বছরের ২৪ জুন ঢাকার বনশ্রীর শ্বশুরের বাসা থেকে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর বাবুলকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শুরু থেকে গোয়েন্দা পুলিশ মামলাটির তদন্ত করছিল। তারা প্রায় তিন বছর তদন্ত করেও কোনো অভিযোগপত্র দিতে পারেনি। এরপর গত জানুয়ারিতে আদালত মামলাটি তদন্তের ভার পিবিআইকে দেয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন