মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রূপসী পাড়ায় হত-দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ- ফুলবাড়ীতে অসুস্থ শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন লৌহ মানব মোহাম্মদ আলী চৌধুরী- বিয়ের আগেই বি’চ্ছেদ তাদের- নওগাঁয় অনিয়মের অভিযোগে দুই চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত- ভারতীয় জনতা পার্টির বালি টু এ রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন- মুক্তি দেওয়া হয়েছে ভিপি নুরকে- প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন জটিলতায় যা বলছে মন্ত্রণালয়- ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কামাল মাস্টারের বিরুদ্ধে জমি দখল ও ফসল কেটে নেয়ার অভিযোগ! বঙ্গবন্ধুর মূর‌্যালে ফুল দিয়ে কুষ্টিয়া জেলা ইউনাইটেড অনলাইন প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু- পেঁয়াজের বস্তা ৫০ টাকা! বেড়েছে চালের দাম-
ঘোষণা:

লালমনিরহাটে নিজের বাল্য বিয়ে ঠেকালেন স্কুল ছাত্রী শাহিনা আক্তার-

স্টাফ রিপোর্টার,সময়ের পথঃ-লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় নিজের বাল্য বিয়ে ঠেকালেন স্কুল ছাত্রী শাহিনা আক্তার। পরিবারের পক্ষ থেকে জোরপূর্বক বাল্যবিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে বাড়ি থেকে পালিয়ে বান্ধবীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়া লালমনিরহাটের ১০ম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী শাহিনা আক্তার। সেখানে অবস্থান নেয়ার পর মোবাইল ফোনে নিজের বাল্যবিয়ে বন্ধেহাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সহযোগিতা চায় ওই স্কুল ছাত্রী।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর/২০২০) সকালে ওই উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল আমিন ওই ছাত্রীকে সাথে নিয়ে হাজির হন স্কুল ছাত্রী শাহীনাদের বাড়িতে। সেখানে তার বাবা-মায়ের মুচলেকা নেয়ার মাধ্যমে নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকালেন ওই স্কুলছাত্রী।
এমন ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিঙ্গিমারী ইউনিয়নের উত্তর ধুবনী গ্রামে। হাতীবান্ধা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির ছাত্রী ও উত্তর ধুবনী গ্রামের সাইরুদ্দিনের মেয়ে শাহিনা আক্তারকে শুক্রবার রাতে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাল্যবিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন তার বাবা-মা। উপায় না পেয়ে শাহিনা বাড়ি থেকে পালিয়ে তার এক বান্ধবীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেতে শুক্রবার রাতেই হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম ও পরে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল আমিনকে ফোন করে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেতে সহযোগিতা কামনা করেন শাহিনা আক্তার।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর/২০২০) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল আমিন হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম শাহিনা আক্তারকে প্রথমে তার বান্ধবীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন। পরে ইউএনও নিজেই তার গাড়িতে করে শাহিনাকে নিয়ে তার বাড়িতে হাজির হন। এ সময় তার বাবা সাইরুদ্দিনের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আইয়ুব আলীর জিম্মায় দেন।
হাতীবান্ধার ইউএনও সামিউল আমিন বলেন, রাতে খবর পাওয়া মাত্র আমি ওই স্কুলের শিক্ষকের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। শনিবার সকালে মেয়েকে তার বান্ধবীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে বাবা মায়ের সাথে কথা বলে শাহিনাকে তাদের কাছে দিয়ে এসেছি। শাহিনার বাবা মা মুচলেকা দিয়েছেন ১৮ বছরের আগে মেয়ের বিয়ে দেবেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন