মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রূপসী পাড়ায় হত-দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ- ফুলবাড়ীতে অসুস্থ শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন লৌহ মানব মোহাম্মদ আলী চৌধুরী- বিয়ের আগেই বি’চ্ছেদ তাদের- নওগাঁয় অনিয়মের অভিযোগে দুই চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত- ভারতীয় জনতা পার্টির বালি টু এ রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন- মুক্তি দেওয়া হয়েছে ভিপি নুরকে- প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন জটিলতায় যা বলছে মন্ত্রণালয়- ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কামাল মাস্টারের বিরুদ্ধে জমি দখল ও ফসল কেটে নেয়ার অভিযোগ! বঙ্গবন্ধুর মূর‌্যালে ফুল দিয়ে কুষ্টিয়া জেলা ইউনাইটেড অনলাইন প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু- পেঁয়াজের বস্তা ৫০ টাকা! বেড়েছে চালের দাম-
ঘোষণা:

একজন বড় হুজুরের পতিতালয়ে গমণ

মোঃ সাজিদ হোসেন ডেস্ক নিউজ,সময়ের পথঃ- পাকিস্তানের মুলতানের আলোচিত
বেশ্যালয়। সেখানে এক হুজুর প্রবেশ
করলেন। পতিতা পাড়ার দিকে হুজুরকে
যেতে দেখে আশপাশের সবাই চমকে
উঠলেন। কেউ তির্যক মন্তব্য করলেন,
অবশেষে মাওলানা সাহেবও এপথে!
সহকর্মীরা হুজুরকে বারণ করলেন। কেউ
পথ আটকে দাড়ালেন।কিন্তু না,তিনি
সেখানে যাবেন-ই। একেক করে
সহকর্মীরা সবাই তার এপথে যাওয়ার
সঙ্গ ছেড়ে দিলেন। তারা এই পথ
থেকে ফিরে এলেন। না,
কোনভাবেইওখানে যাওয়া যাবে না।
যাওয়ার সুযোগ নেই।দুএকজন পাঞ্জাবীর
পেছনে টেনে ধরতেচেয়েছিলেন এই
হুজুরকে। কিন্তু এত বড় হুজুরকে বারণ করার
সাহস কার? কেউ মসজিদে ডুকে
গেলেন। সেজদায় পড়ে প্রার্থনা
করতে লাগলেন। হুজুর দাওয়াত দিতে
গিয়ে যেন কোন ফেৎনা ও
সমালোচনার মুখে পড়ে না যান। এই ভয়
আশঙ্কা অনেককে আচ্ছন্ন করে ফেলল।
কিন্তু হুজুর ত নাছোড় বন্দা। তিনি
ইস্তেখারা করেছেন। বড়দের সাথে
পরামর্শ করেই ঝুকিটা নিলেন।
নারীদের একটি বড় অংশ এখানে
খারাপ কাজের সাথে জড়িত। তারা
পতিতাবৃত্তি করে নষ্ট করছে যুব
সমাজকে। বিপথগামী করছে অসংখ্য
তারুন্যকে। এপথ রোধ করতে হবে। এই
অন্ধকারে তাকে আলো জ্বালাতেই
হবে। তাদের কাছে দাওয়াত দিতেই
হবে।যে কোন মূল্যে তাদের একত্রিত
করে দ্বীনের কথা শুনাতে হবে।
সমাজের এই অবক্ষয় রোধ যে কোন
উপায়ে করতে হবে। তিনি ভাবলেন,
সমাজের সকল নষ্ট জায়গায় যতক্ষণ পর্যন্ত
হুজুর দের পা না পড়বে, ততক্ষণ সমাজ
ঠিক হবে না।
তিনি মুলতান পতিতালয়ে গেলেন।
তাদের সর্দারনীর সাথে দেখা করে
এলেন। বললেন আগামীকাল আমরা
এতোটার সময় আসব। আপনাদের কিছু
দামী জিনিস উপহার দিব। আপনি
সবাইকে একত্রিত করে রাখবেন।
সরদারনী ভাবল, কোন চ্যারিটি
প্রতিষ্ঠান বা সামাজিক সংগঠন হয়তো
তাদের কোন উপহার দিতে আসবে। সে
সবাইকে একত্রিত করে রাখল যথা সময়।
হুজুর সেদিন সদলবলে গেলেন। তাদের
সামনে পর্দা টাঙিয়ে দিয়ে বললেন
আমাকে তোমরা ক্ষমা করে দাও আমার
আরও আগে তোমাদের কাছে দাওয়াত
নিয়ে আসা উচিৎ ছিল! তারপর তিনি
সবাইকে বললেন “হে মেরে” বেটি ওর
বইনো”! “মে আপকো ইজ্জতকা চাদর
পরানে আয়া”। অর্থাৎ হে আমার মেয়ে
ও বোন! আমি এখানে এসেছি
তোমাদের ইজ্জতের চাদর পরাতে।
এতটুকু বলতেই তারা কান্নায় ভেঙে
পড়লো। দীর্ঘ বয়ানের সময় পর্দার ওপাশ
থেকে কেবল চাপা কান্না আওয়াজ
আসতে থাকলো। বয়ান শেষ হলে এরা
চিৎকার করে কাঁদতে থাকল। সকল
মেয়েরা তওবা করে মাথায় ঘুমটা
দিয়ে তখনি পতিতালয় খালি করে
চলে গেল। বয়ান শুনে এবং এই দৃশ্য
দেখে পতিতালয়ের পরিচালক
মাস্তানরাও আল্লাহর রাস্তায় নগদ বের
হয়ে গেল। এর পর আজ পর্যন্ত মুলতানে
কোন পতিতালয় গড়ে উঠেনি। সকল
মেয়েই পরে দাওয়াতের মেহনতের
দ্বারা সুন্দর জীবনে ফিরে এসেছেন
বলে জানা যায়।
এই বড় হুজুর কে? ইনিই হচ্ছেন
বর্তমান বিশ্বের অন্যতম মুবাল্লিগে
ইসলাম (ধর্ম প্রচারক) পাকিস্তান
তাবলীগ জামাতের বিশিষ্ট মুরব্বি
মাওলানা তারিক জামিল
(হাঃফিঃ)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন