সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কুষ্টিয়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ সেমিনারে এমপি হানিফ ফুলবাড়ীতে করোনা নমুনা সংগ্রহের বুথ ভেঙ্গে চুরমার তদন্ত কমিটি গঠন। দেড়শ বছরেরও বেশী সময় ধরে এক আঙিনায় মসজিদ-মন্দির। এ যেন ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আসল পুলিশের হাতে ৪ ভুয়া পুলিশ আটক ভক্ত হবি তো, বোকা হবি কেন? মাদারীপুরে আড়িয়াল খাঁ’র নদী ভাঙ্গনে ৬টি ঘর,৩শ’মিটার সড়ক ও ইটভটার এক অংশ বিলীন। শারদীয় দৃর্গা পুজার নবমীর দিনে পুজা মন্ডব ছিল জন শুন্য কুষ্টিয়া দৌলতপুর মহিষকুন্ডির মাদক ব্যবসায়ীরা এখন ত্রাস: বাধা দিলেই মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি নওগাঁ দুবলহাটি নুরুলের হোমিও মাদক সেবন করে অন্ধ হয়ে মারা গেছে ১১ জন, অন্ধ হয়ে মৃত্যুর পথোযাত্রী-৪ নওগাঁ দুবলহাটি নুরুলের হোমিও মাদক সেবন করে অন্ধ হয়ে মারা গেছে ১১ জন, অন্ধ হয়ে মৃত্যুর পথোযাত্রী-৪
ঘোষণা:

কুষ্টিয়ার মিরপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন :থানায় অভিযোগ

কে এম শাহীন রেজা কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি,সময়ের পথঃ-

কুষ্টিয়ার মিরপুরে যৌতুকের টাকা না পেয়ে এক স্বামী তার স্ত্রীর ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মিরপুর উপজেলার তালবাড়ীয়া ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রুবিয়া খাতুন বাদী হয়ে গতকাল সোমবার দুপুরে তাঁর স্বামী মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
গৃহবধূ রুবিয়া খাতুনের ভাই দাবি করেন, ২৪ বছর আগে তাঁর বোনের সঙ্গে তালবাড়ীয়া গ্রামের মৃতঃ সলেমানের ছেলে মতিয়ার রহমানের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তাকে যৌতুক হিসেবে ৩ লক্ষ টাকা এবং কিছু সোনার গহনা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে মতিউর রহমান উক্ত গহনা গহনা বিক্রি করে দেয়।
তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে তার পরেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে আরও এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন। টাকা দিতে না পারায় সর্বশেষ গত শনিবার তিনি রুবিয়ার হাত-পা বেঁধে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেয়। একপর্যায়ে মতিয়ার গৃহবধূ রুবিয়ার দেহের বিভিন্ন অংশ কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলে এবং তাঁকে ঘরে আটকে রাখে। দুই দিন পর প্রতিবেশীদের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে রুবিয়ার ভাই যেয়ে রুবিয়াকে উদ্ধার করে গত রবিবারে কুষ্টিয়া সদর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
রুবিয়া খাতুন মিরপুর থানা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকে মতিয়ার আমার উপর শারীরিক নির্যাতন করতে থাকে। তখন থেকেই স্বামীর বাড়ির লোকজন রুবিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন শুরু করেন। টিকতে না পেরে বাধ্য হয়ে রুবিয়া তাঁর বাবার বাড়িতে চলে যান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, কিছুদিন আগে মতিয়ারের এলাকার কিছু লোকের সহায়তায় রুবিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ফিরিয়ে আনতে যান। এ সময় রুবিয়া তাঁর ওপর যৌতুকের জন্য নির্যাতন ও খোঁজখবর না রাখার অভিযোগে স্বামীর বাড়িতে ফিরতে চাননি। একপর্যায়ে সবার অনুরোধে তিনি স্বামীর বাড়ি ফিরে আসেন। স্বামীর বাড়িতে ফেরার পরই রুবিয়ার ওপর নতুন করে শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। রুবিয়া পরিবারের দাবী যৌতুক লোভী মতিয়ারের বিচার দাবি করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন