সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঘোষণা:

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের সুনাম ক্ষুন্ন করতে রেডিওলজিস্ট ডা. হোসেন ইমাম একাই যথেষ্ট-

কে এম শাহীন রেজা কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি,সময়ের পথঃ-

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের সুনাম ক্ষুন্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে রেডিওলজিস্ট ডাক্তার হোসেন ইমাম। তিনি পেশায় একজন রেডিওলজিস্ট ডাক্তার হিসাবে কর্মরত থেকে সর্ব রোগের অপারেশন থেকে শুরু করে সর্ব রোগের চিকিৎসা করে যাচ্ছেন যা কুষ্টিয়ার জেলাব্যাপী টক অব দ্য টাউন এ পরিনত হয়েছে।
তিনি নিজেকে পরিচয় দেন একজন সনোলজিস্ট হিসাবে অথচ তিনি সনোলজিস্ট নন তিনি রেডিওলজিস্ট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত।
শুধু তাই নয় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মধ্যে রয়েছে তার বড় ধরনের দালাল সিন্ডিকেট তা তিনি নিজেই দেখভাল করেন। গ্রাম থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা হাসপাতাল চত্বরে আসলে দালালরা রোগীকে ম্যানেজ করে টিকিট কেটে দিয়ে ডাক্তারও দেখিয়ে দেবার ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে ঐ সকল রোগী ও তার আত্মীয় স্বজনদেরকে ভুলিয়ে ভালিয়ে টিকিট কেটে রেডিওলজিস্ট ডাঃ হোসেন ইমাম এর কাছে নিয়ে যায়। উক্ত রোগী সে যে, রোগেই আক্রান্ত হোক না কেন ডাক্তার হোসেন ইমাম এর কাছে ওটা কোন বিষয় না বলে একজন দালাল প্রতিবেদককে জানায়।
সরেজমিনে দেখা গেছে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেডিওলজিস্ট রুমের পাশে আলাদা কক্ষে বসে
দালালদের সংগ্রহ করা রোগী প্রাইভেট ভাবে দেখেন এই রেডিওলজিস্ট ডাক্তার হোসেন ইমাম।
একজন রেডিওলজিস্ট ডাক্তার কখনোই সকল ধরনের রোগী দেখতে পারেন না এটা আইন বহির্ভূত তাই তিনি হাসপাতালের টিকিটে তিনি কোন এডভাইস না লিখে আলাদা সাদা কাগজে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা লিখে দালালদের মাধ্যমে তার নিজ প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দেন বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে তার রয়েছে একাধিক নারী ও পুরুষ নিয়োগপ্রাপ্ত দালাল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী দালাল বলেন, আমরা ডাঃ হোসেন ইমাম এর চাকরি করি সে আমাদের হাসপাতালে নিয়োগ দিয়েছে। বেশ কয়েক মাস আগে ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য রোগীকে ভাগিয়ে নেওয়ার সময় রফিক নামে এক দালালকে আটক করে জেল দিয়েছিল ভ্রাম্যমাণ
আদালত । জেল খেটে বেরিয়ে এসে আবারো ডাক্তার হোসেন ইমাম এর নিয়োগ নিয়ে হাসপাতালে কাজ করছে। তার এই অপকর্ম নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও অনলাইন পত্র-পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে নিউজ প্রকাশিত হলেও তিনি থেমে নেই, চালিয়ে যাচ্ছে তার অবৈধ কার্যক্রম।
শুধু তাই নয় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের নাম ভাঙ্গিয়ে তারই আপন ভাই ভুয়া ডাক্তার হাসান ইমাম দেখতে একই রকম চেহারা ডাক্তার হোসেন ইমাম সেজে কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন উপজেলার একাধিক ক্লিনিকে অপারেশন চালিয়ে যাচ্ছে। মারাও যাচ্ছে অনেক রোগী। সম্প্রতি কুষ্টিয়া শহরের পেয়ারাতলা অবস্থিত পদ্মা ক্লিনিকে একজন প্রসূতিকে অপারেশনের টেবিলেই হত্যা করেছেন ডাক্তার হোসেন ইমামের ভাই ভুয়া ডাক্তার হাসান ইমাম।
এ বিষয়ে ডাক্তার হাসান ইমামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তা রিসিভ করেন নাই। তার বিষয়টি নিয়ে মাননীয় জেলা প্রশাসক সিভিল সার্জন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করে একাধিক ভুক্তভোগী রোগীর আত্মীয়-স্বজনরা তারা বলেন, অচিরেই এই ডাক্তার হোসেন ইমাম ও তার সহোদয় ভুয়া ডাক্তার হাসান ইমামের দৌরাত্ম্য থামাতে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, ইতিমধ্যে এই কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে সুনাম ক্ষুন্ন হতে চলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন