শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ আটক ০১!র‌্যাব-০৭ নড়াইলে বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্য কমিউনিটি পুলিশিং ডে অনুষ্ঠিত আজ নওগাঁয় কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০২০ পালন কুষ্টিয়া কুমারখালী সরকারী পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের এক নড়াইলের ছেলে সাদাত শান্তি পুরস্কারের চুড়ান্ত তালিকায়। ঈদ-এ মিলাদুন্নবী শোভাযাত্রা নিয়ে সংশয়ে আছেন কমিশনার! নড়াইলের পল্লীতে সরকারি টেন্ডার ও চিঠি ছাড়া রাস্তার গাছ কাটলো কারা কুষ্টিয়া পৌর মেয়র হিসেবে আতাউর রহমান আতার কোনো বিকল্প নেই সাইফুদ দৌলা তরুণ। সিলেটগামী ট্রেনের সিডিউল হঠাৎ বাতিল!! কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভুয়া সনদ বিক্রির অন্তরালে জড়িত কারা উদঘাটন জরুরী-
ঘোষণা:

কুষ্টিয়া দৌলতপুরে অবৈধভাবে চাষী বিড়ি তৈরীর অন্তরালে চলছে নকল সোনালী ও আকিজ বিড়ি তৈরির রমরমা ব্যবসা-

কে এম শাহীন রেজা কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি,সময়ের পথঃ-

কাস্টম এক্সাইজ ভ্যাট সার্কেল-১ কুষ্টিয়ার রেজিস্ট্রেশন নিয়ে অবৈধভাবে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে গাছেরদিয়াড় গ্রামে অবৈধভাবে তৈরি হচ্ছে চাষী বিড়ি। রেজিস্ট্রেশন অনুযায়ী কুষ্টিয়া শহরের জুগিয়া গ্রামে বিড়ি তৈরি কারখানা থাকলেও তা বন্ধ রেখে মালিক আসাদুজ্জামান তাইরোত দৌলতপুরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বর্তমানে দেদারছে জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ শলাকা “চাষী বিড়ি” তৈরি করে পার্শ্ববর্তী জেলা যশোর, ঝিনাইদহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ময়মনসিংহ, মানিকগঞ্জ, হবিগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই অবৈধ চাষী বিড়ি সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কম মূল্যে বিক্রয় করে যাচ্ছে।

কুষ্টিয়ায় লাইসেন্স নিয়ে দৌলতপুরে নিজ বাড়িতে চাষী বিড়ি তৈরির অন্তরালে রয়েছে আসাদুজ্জামান তাইরোতের এক বিরাট প্রতারণা। অনুসন্ধানে জানা যায়,আসাদুজ্জামান তাইরোত এলাকায় একজন বড় ধরনের নকল আকিজ ও সোনালী বিড়ি কারবারি।
চাষী বিড়ির আড়ালে আসাদুজ্জামান তাইরোত বাড়িতে সুকৌশলে কর্মচারী রেখে আকিজ বিড়ি ও সোনালী বিড়ি তৈরি করে সারাদেশে বাজারজাত করছে।
নকল আকিজ বিড়ি তৈরি করার অপরাধে ইতিপূর্বে তার নামে কুষ্টিয়া দৌলতপুর থানা সহ ময়মনসিংহ থানায় দুইটা মামলা চলমান রয়েছে। এর পরেও থেমে নেই, আসাদুজ্জামান তাইরোতের আকিজ বিড়ি কোম্পানির এক কর্মচারী যার বাড়ী তারাগুনিয়াতে সে বন্ধু হওয়ার সুবাদে তার ব্যবসা অনায়াসে চালিয়ে যাই বলে এলাকায় সকলের মুখে মুখে।
এই সকল নকল বিড়ি প্রস্তুত করতে গিয়ে আসাদুজ্জামান তাইরত এলাকায় এক বিশাল সাম্রাজ্জ্য করে তুলেছে। অবৈধ ভাবে ব্যাবসা চালাতে সে হত্যার মতো অপরাধ করতেও পিছপা হয় না। যার উদাহরন গত বছর সেপ্টেম্বরে বিড়ি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে নিজের লোকদের মধ্যে মারামারি হয় এই মারামারিতে রাশিদুল নামে একজন নিহত হয়। নিহত রাশিদুল হত্যা মামলার ১০ নম্বর আসামি আসাদুজ্জামান তাইরোত।
এলাকাবাসীর দাবি আসাদুজ্জামান হত্যা মামলার পরে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেলেও আবারো ফিরে এসে তার সহযোগীদের সাথে নিয়ে অবৈধ ভাবে চাষী বিড়ি তৈরি করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে জাল ব্যান্ড রোল ব্যবহার করে আকিজ ও সোনালী বিড়ি তৈরি করছে।
ইতিমধ্যে এই বিড়ি তৈরি নিয়ে আসাদুজ্জামান এর সাথে এলাকার বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক ঝামেলা তৈরি হতে শুরু করেছে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ আকারে বিচারের আওতায় রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি তাইরত বিড়ির ব্যবসা কেন্দ্র করে আবারো নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে যেকোনো মুহূর্তে এলাকায় বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে।এলাকার শান্তি প্রিয় মানুষের দাবি, আসাদুজ্জামানের অবৈধ ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের সহ কাস্টমস কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া দরকার। তাকে আটক করে ব্যবস্থা নিলে সরকার প্রতিষ্ঠিত বিড়ি কোম্পানি থেকে বড় ধরনের রাজস্ব বঞ্চিত হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন