মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রূপসী পাড়ায় হত-দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ- খালেদা জিয়া মুক্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মানবিকতায়: কুষ্টিয়ায় মাহবুব উল আলম হানিফ- কালিয়ায় সাংবাদিকের নামে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে জরুরি সভা- ফুলবাড়ীতে অসুস্থ শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন লৌহ মানব মোহাম্মদ আলী চৌধুরী- বিয়ের আগেই বি’চ্ছেদ তাদের- নওগাঁয় অনিয়মের অভিযোগে দুই চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত- ভারতীয় জনতা পার্টির বালি টু এ রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন- মুক্তি দেওয়া হয়েছে ভিপি নুরকে- প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন জটিলতায় যা বলছে মন্ত্রণালয়- ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কামাল মাস্টারের বিরুদ্ধে জমি দখল ও ফসল কেটে নেয়ার অভিযোগ! বঙ্গবন্ধুর মূর‌্যালে ফুল দিয়ে কুষ্টিয়া জেলা ইউনাইটেড অনলাইন প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু-
ঘোষণা:

ড.কোরেশীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ“রিপোর্টার্স ক্লাব”চট্রগ্রাম নেতৃবৃন্দের শোক

শোক সংবাদ :

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ফেনীর সূর্য সন্তান প্রখ্যাত সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী আর নেই। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন তিনি ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

এ উপলক্ষে এক শোক বার্তায় বাংলাদেশ“রিপোর্টার্স ক্লাব”চট্রগ্রামের সভাপতি মোঃ জামাল চৌধরী,সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন মজুমদার , সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও এম,এ, নাঈম । মরহুম ড.ফেরদৌস আহমদ কোরেশীর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা ও তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় জন্ম নেয়া এ স্বনামধন্য মানুষটির মৃত্যুতে দেশ একজন সৎ, নির্ভীক ও জ্ঞানী সংগঠককে হারিয়েছে উল্লেখ করে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নেতৃবৃন্দ।

১৯৬০-৬২ সাল থেকে এদেশের মানুষের স্বাধিকার আন্দোলনে পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী আইয়ুবের বিরুদ্ধে রাজপথ কাঁপানো ফেরদৌস আহমদ কোরেশীর সেই অনলবর্ষী বক্তৃতার কণ্ঠস্বর। তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ ‘ডাকসুর’ ভিপি (১৯৬৬-৬৭) ও তৎকালীন অবিভক্ত পূর্ব পাকিস্তানের সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সভাপতি (১৯৬৭-৬৮) হিসেবে সেদিনের ছাত্র/যুবসমাজকে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৬২ সালের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজের ঐতিহাসিক আন্দোলনে তিনি ছিলেন অন্যতম সংগঠক। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তার আপসহীন ও দূরদর্শী নেতৃত্বে ১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫ জন রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনীত ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে অভিহিত রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে উঠেছিল এবং সেই মামলা প্রত্যাহারে আইয়ুব সরকার বাধ্য হয়েছিল। এসব কারণে বছরের পর বছর তিনি কারা নির্যাতন ভোগ করেছেন, এমনকি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গেও রাজবন্দী হিসেবে একসঙ্গে কারাবাসে সময় কাটিয়েছেন।

১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন। এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের মুখপাত্র ‘দেশবাংলা’ পত্রিকা মুজিবনগর থেকে প্রকাশ করেন। বলাবাহুল্য, এটিই মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন