সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রূপসী পাড়ায় হত-দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ- কুষ্টিয়ায় দৌলতপুরে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করার পরও চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন- কুষ্টিয়া এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ উপার্জনের অভিযোগ- নওগাঁ রানীনগরে রেলওয়ে জায়গার দোকান ঘর উচ্ছেদে প্রায় ১৬ কোটি টাকার ক্ষতি পথে বসেছে ২৮৪ পরিবার- কুড়িগ্রামে মহিলা পরিষদের নারী ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন- কালিয়ায় বালু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা- দশমীর চিকিৎসায় আবারো আর্থিক সহায়তা দিলেন লৌহ মানব মোহাম্মদ আলী চৌধুরী- ঢাকায় শুভ হত্যার রহস্যের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি কালীগঞ্জে মানববন্ধন- কৃষি বিল নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন বিরোধীরা-বিজেপি নেতা জয় প্রকাশ মজুমদার কালীগঞ্জে সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে তপন সাধুর প্রতারণা! কুষ্টিয়ার দাদা রাইস ব্রান্ডের নামে বরিশাল বাজারে যাচ্ছে নিন্মমানের চাল-
ঘোষণা:

নদীর তীরে সরকারি স্থপনা নির্মাণ করতে অনুমতি লাগবে- পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা,সময়ের পথঃ-

সরকারি অর্থ ও সম্পদ রক্ষায় নদী তীরবর্তী স্থান বা প্লাবনভূমিতে সরকারি কোনো স্থাপনা নির্মাণে ‘জেলা সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটি’র অনুমতি নিতে হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি চিঠি সব মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, প্রতিবছর বর্ষাকালে বন্যা ও বন্যা পরবর্তী সময়ে নদী ভাঙনের বিষয়টি নদীবিধৌত বাংলাদেশের জন্য একটি পুরনো সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার শতবর্ষী পরিকল্পনা ‘বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ গ্রহণ করেছে। এর আওতায় সমন্বিতভাবে নদী ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বন্যা মোকাবিলায় প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, লক্ষ্য করা গেছে যেকোনো প্রকার যাচাই ছাড়া নদী ভাঙনের সম্ভাবনা আছে এমন স্থানে অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, রাস্তা, কালভার্ট, সেতু, সাইক্লোন সেল্টারসহ অন্য স্থাপনা) নির্মাণ করা হয়।

নদী ভাঙনের ফলে এসব স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে সরকারি অর্থ ও সম্পদ রক্ষার জন্য অবকাঠামো নির্মাণের স্থান নির্বাচনের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বন্যা ও নদীর ভাঙনমুক্ত উপযুক্ত পরিসরে অবকাঠামো নির্মাণের এলাকা নির্বাচনের জন্য ওই স্থানের মাটির গঠন শৈলী, নদীর গতিপথ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা আবশ্যক। নদীর গতিপথ ও এর বৈশিষ্ট্য বিষয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিশেষায়িত সংস্থাগুলো নদী প্লাবনভূমিসহ অন্য জলাশয়ের গতি ও প্রকৃতি এবং ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য নিয়মিতভাবে গবেষণা ও পরিবীক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

অনুমতি বা মতামতের ক্ষেত্রে বলা হয়, সরকারি বিভিন্ন দফতরগুলো নদীর ভাঙনের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম প্রকল্প গ্রহণের আগে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে অবকাঠামো নির্মাণের স্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে সঠিক দিকনির্দেশনা ও মতামত গ্রহণ করতে পারে, যা উন্নয়ন বিনিয়োগের স্থায়িত্ব রক্ষায় সহায়ক হবে।

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা স্মরণ করে দিয়ে বলা হয়েছে, গত ১৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী নদীর পাড়ে বা চরে কোনো ধরনের সরকারি অফিস, বাসভবন, স্কুল ও কলেজ নির্মাণ না করার নির্দেশনা দিয়েছেন। স্কুল-কলেজের বেলায় সহজে খুলে সরিয়ে নেওয়া যায় এ রকম নির্মাণ কৌশল এবং ডিজাইন করে তৈরি করতে হবে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে ভবিষ্যতে নদী তীরবর্তী স্থান বা প্লাবনভূমিতে সরকারি কোনো অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণের আগে ‘বাংলাদেশ পানি বিধিমালা ২০১৮’ অনুযায়ী গঠিত ‘জেলা সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটি’র পরামর্শ মতামত গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমাদের অনুসরণ করুন