1. admin@somoyerpoth.com : somoyerpoth.com :
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৯:২০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নানা আয়োজনে পালিত হলো ১৫ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। মঙ্গোলিয়ার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে দারুন জনপ্রিয় অনলাইন শিক্ষা র‍্যাবের হাতে মাদকসহ উলিপুরের সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার-২ কুড়িগ্রামে মৎস্য বিভাগের মা ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান। সিলেটের বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা আবু নছরের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক ছাতক পৌরসভার নামে টোল আদায় বন্ধে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান মালিক ও শ্রমিক সমিতির সভা বড়লেখায় ভোটকেন্দ্র পুনর্বহাল ও নতুন ভোটকেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত না করার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সিলেটে সংবাদকর্মীকে দফায় দফায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা : অভিযোগ সিলেটে অর্থের অভাবে আটক পড়ে আছে ৪২ হাজার ভবনের পরিক্ষা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী’র বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রান বিতরণ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

সিসিকের হোল্ডিং শাখার চন্দন দাস কয়েক শ কোটি টাকার মালিক।

সিলেট প্রতিনিধিঃ-

সিলেট সিটি কর্পোশেনের হোল্ডিং শাখার গুনধর কর্মচারী চন্দন কুমার দাস । যতদূর জানা যায়, চন্দন দাস ১৯৯৬ সালে কর ধার্য এসেসমেন্ট হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। প্রথমে মাষ্টার রুলে চাকরি করলেও নানা কৌশলে তিনি বর্তমানে এসেসমেন্ট শাখার প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন।
বিগত দিনে সিসিকে কাজ করার সূবাধে সখ্যতা হয়েছে নগরীর বিশিষ্টজনদের সাথে। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি প্রচুর ভূ-সম্পত্তির মালিক হয়ে উঠেছেন । নামে বেনামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,এই গুনধর কর্মকর্তার সিলেট নগরীতে রয়েছে ৪টি বাড়ি,৩টির নির্মান কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। এর মধ্যে ১টি ২য় তলা,একটি ৩য় তলা এবং ওপরটি ৫ম তলার। সিসিকের সৌভাগ্যবান এই কর্মচারীর বিরোদ্ধে ভূমি জালিয়াতির বিস্তর অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, নগরীর চালিবন্দরস্থ মাদানী সিটি এলাকার বাড়ি তৈরি করছেন চন্দন দাস। এই জায়গার এসএ রেকর্ডিয় মালিক শশী মোহন চক্রবর্তী। যার উত্তরাধীকারী হিসেবে ওই ভূমির প্রকৃত মালিক কিশোর কুমার চৌধুরী গং। নগরীর মিউনিসিপিলিটি মৌজার জে এল নং ৯১, এসএ খতিয়ান নং ৩৬৩১, দাগ নং ৭৩৫৪ এ মোট পরিমান ৫ একর ৬২ শতক ৮৭ পয়েন্ট। তন্মধ্যে চন্দন কুমার দাস ২০ শতক ভূমি জবর দখল করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
উক্ত ভূমি নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।সুপ্রিম কোর্ট এর এফ.এম.এ মামলা নং ২২০/২০১৭। ২০১৮ সালের ১৮ মার্চে এই মামলায় শুনানীকালে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি জনাব মামনুর রহমান ও বিচারপতি জনাব আশীষ রঞ্জন দাস। দুই বিচারপতির দ্বৈত বেঞ্চে শুনানীকালে ওই ভূমির উপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়। যা এখনও বলবৎ রয়েছে।
কিন্তু সিসিকের এই গুনধর কর্মকর্তা মাননীয় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপক্ষা করে ওই ভূমিতে নির্মান কাজ চলমান রেখেছেন এবং সেখানে বহুতল ভবন নির্মানের কাজ দ্রুত চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
চালিবন্দর এলাকায় উনার নিজস্ব দু তালা বাসা রয়েছে বলে বিশ্বস্ত সুত্র জানিয়েছে । কাষ্টঘরের সংখ্যালঘুদের প্রধান মুরব্বি রাম বাবু এ প্রতিবেদককে জানান, সংখ্যালঘু ২৪ পরিবারে সম্পত্তি চন্দন দাসে দখলে, উনারা নিরুপায় হয়ে শ্রী মনিন্দ্র চন্দ্র দে কে মামলা পরিচালনার জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে সিসিকের এসেসমেন্ট শাখার প্রধান চন্দন দাস এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে, ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়, তাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক এ প্রতিবেদককে জানান,
বিষয়টি আমার জানা নেই, এরকম অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত