1. admin@somoyerpoth.com : somoyerpoth.com :
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
মানব বন্ধনঃ চট্টগ্রাম বন্দর উইন্সম্যান শিপ ক্রেন অপারেটর কল্যান বহুমুখী সমবায় সমিতি কুড়ুলগাছি ইউপির নৌকার প্রার্থী কাফিউদ্দীন টুটুলের মটরসাইকেল শোভা যাত্রা সাভারে চাঁদা উঠিয়ে রাস্তা মেরামত করছে ৩ যুবক, দ্রুতই রাস্তার বাজেট পাশ হবে : ইউপি চেয়ারম্যান কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন। সাম্প্রদায়িক হামলা ও দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে সিপিবি’র পথসভা,, উলিপুরে ফরিয়া পাইকারদের দখলে পাটের বাজার! কুড়িগ্রামে জেলা পরিষদের উদ্যোগে মহিলাদেরপ্রশিক্ষণের উদ্বোধন এক বছর পর নিজস্ব ভবনে শ্রীপুর পৌরসভা বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়কে যানচলাচল বন্ধ দক্ষিণ সুরমার কলেজ ছাত্র রাহাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাদি গ্রেফতার

রাজারহাটে তিস্তা নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক সহ বসতভিটা,,

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

রাজারহাটে তিস্তা নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক সহ বসতভিটা,,

সোহেল রানাঃ
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় তিস্তা নদীর প্রবল ভাঙনে বিলীন হচ্ছে প্রতিদিন বসতভিটাসহ আবাদি জমি ও নানা স্থাপনা।

বন্যার পানি নেমে গেছে ঠিকই কিন্তু ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন।

হুমকিতে রয়েছে উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের গতিয়াশামের কমিউনিটি ক্লিনিকটি। অন্যদিকে,হুমকির মুখে রয়েছে নামাভরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনসহ আরো কয়েক শত ঘড়বাড়ি।

জানা গেছে,সম্প্রতি বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর গত এক মাসে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে শত শত পরিবার। তীব্র ভাঙনে তিস্তা পারের বাসিন্দারা সর্বহারা হলেও জিও ব্যাগ ফেলা ছাড়া ভাঙন প্রতিরোধে টেকসই কোনো ব্যবস্থা নেয়নি স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গতিয়াশাম কমিউনিটি ক্লিনিকটি স্থানীয়দের চিকিৎসার একমাত্র আশ্রয়স্থল। বর্তমানে এ চিকিৎসা কেন্দ্রটি তিস্তার ভাঙনে হুমকিতে রয়েছে।

নদীর কিনারে দাঁড়িয়ে প্রহর গুণছে কখন ভেঙে নদীগর্ভে চলে যায়। যেকোনো মুহূর্তে নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে ভবনটি। এতে করে ওই গ্রামের অন্তত ৭ থেকে ৮ হাজার মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা বঞ্চিত হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নদী পাড়ের বাসিন্দরা জানান,২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে প্রায় ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে আট শতক জমির ওপর কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবনটি নির্মাণ করে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির অনুদানের জমিতে নির্মিত এই ক্লিনিকটি ওই এলাকার বাসিন্দাদের চিকিৎসা সেবার ভরসাস্থল হয়ে উঠেছে। কিন্তু তিস্তার চলমান ভাঙনে স্থানীয় বাসিন্দারা ভিটেমাটি ছাড়া হওয়ার পাশাপাশি তাদের চিকিৎসার আশ্রয়স্থলটিও হারিয়ে যাচ্ছে।

কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মোঃ আলতাব হোসেন বলেন,গতিয়াশাম কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যামে এই এলাকার প্রায় আট হাজারেরও বেশি মানুষ চিকিৎসা সেবা পেয়ে থাকেন। সরকারি ওষুধসহ প্রাথমিক চিকিৎসার বিভিন্ন সরঞ্জামাদি রয়েছে এখানে। ভবনটি না থাকলে ভোগান্তিতে পড়বে সেবা গ্রহীতারা।

ক্লিনিকটির জমি দাতা হাদিউজ্জামান আনসারি জানান,আমরা স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতা ও স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙন রোধে চেষ্টা করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে যদি পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে,তাহলে হয়তো ক্লিনিকটি রক্ষা করা যাবে না।

ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ কর্মকার জানান,ক্লিনিকটি নদীতে বিলীন হলে ওই এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়তে হবে। আমরা কর্তৃপক্ষকে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া অনুরোধ করেছি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদ্য যোগদানকৃত নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,আমি ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছি। পানি কমে যাওয়ায় তিস্তার ভাঙনের হার পূর্বের তুলনায় কম। তিনি এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত