1. admin@somoyerpoth.com : somoyerpoth.com :
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১০:০৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সিলেট বিভাগের ৭৭ টি সহ সারাদেশে ৩য় ধাপের ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চুড়ান্ত নানা আয়োজনে পালিত হলো ১৫ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। মঙ্গোলিয়ার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে দারুন জনপ্রিয় অনলাইন শিক্ষা র‍্যাবের হাতে মাদকসহ উলিপুরের সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার-২ কুড়িগ্রামে মৎস্য বিভাগের মা ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান। সিলেটের বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা আবু নছরের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক ছাতক পৌরসভার নামে টোল আদায় বন্ধে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান মালিক ও শ্রমিক সমিতির সভা বড়লেখায় ভোটকেন্দ্র পুনর্বহাল ও নতুন ভোটকেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত না করার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সিলেটে সংবাদকর্মীকে দফায় দফায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা : অভিযোগ সিলেটে অর্থের অভাবে আটক পড়ে আছে ৪২ হাজার ভবনের পরিক্ষা

নওগাঁয় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে স্বামী গুমের মামলা,ভীকটিম বহালতবিয়তে সৌদী আরবে

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁয় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে স্বামী গুমের মামলা,ভীকটিম বহালতবিয়তে সৌদী আরবে

ইতিমুনি নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি-
নওগাঁ সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের চক-কালিদাস গ্রামের, আদম ব্যাপারী মোঃ সবুজ হোসেনের স্ত্রী মোসাঃ জান্নাতুন হিয়ার, যোগসাজশে সৌদী পাঠিয়ে স্থানীয় ৫জনের বিরুদ্ধে গুম মামলা করেছে নওগাঁ মোকাম ১নং আদালতে।

স্থানীয় সুত্রে ও মামলা সুত্রে জানা যায়,
২০১৭ সালে মোঃ সবুজ হোসেন সৌদী-আরবে ভালো বেতনের চাকরী দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে, এলাকার প্রায় ১৯ জনের কাছ থেকে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার করে টাকা নিয়ে সৌদী আরব নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পরে তাদেরকে কোন কাজ দিতে পারে নাই বা বৈধ কোন কাগজপত্র করে দেয় নাই। আকামা ঐ ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে করে দেওয়ার কথা থাকলেও উপুরন্ত আকামা করে দেওয়ার কথা বলে, তাদেরকে মারপিট ভয়ভীতি দেখিয়ে ও খাওয়ার-দাওয়ার কষ্ট দিয়ে, পরিবারের প্রতি চাপ সৃষ্টি করে আরো ৪ লক্ষ করে টাকা, বাংলাদেশে তাদের পরিবারের কাছ থেকে আদায় করে। কিন্তু সে টাকা নিয়েও কাহকেই কোন কাজ বা আকামা বা বৈধ্য কোন কাগজ পত্র করে দেয় না।

ভুক্তভুগীদের অভিভাবকরা জানায়,ঐ লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে সবুজ তার মামা কালামের সাথে বাংলাদেশে পেট্রোলপাম্প,ইটভাটার ব্যবসা সহ বিভিন্ন জায়গা-জমি কেনে ও তাদের নিজেদের বিল্ডিং বাড়ী বানাতেছে। অন্যদিকে সৌদী আরবে না খেয়ে বহু কষ্টে, সেখান থেকে ১০/১২ জন পালিয়ে অন্যত্র চলে যায় এবং অবৈধ্য ভাবে থেকে, সব সময় আতঙ্কের মধ্য কাজকর্ম করছে। বাঁকী ৭/৮ জন লোক তারা সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশে ফিরে আসার জন্য। সবুজ ও আদম ব্যাপারী চক্র তাদেরকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলে, আবারও ১লক্ষ করে টাকা আদায় করে তাদের পিতামাতাদের কাছ থেকে। এ দিকে ভুক্তভুগীদের সহায়-সম্বল বিক্রয় করে সব টাকা পয়সা আদম ব্যাপারী সবুজ হোসেনের হাতে তুলে দেয়, তাদের ছেলেদের বাংলাদেশে না পাঠিয়ে সবুজ নিজে প্যান্ট,কোর্ট লাগিয়ে দেশে আসে। এরপর এলাকাবাসী জানতে পেরে নওগাঁ সদর মডেল থানায় মামলা করিলে, পুলিশ সবুজকে গ্রেফতার করে জেল-হাজতে পাঠিয়ে দেয়। এরপর সবুজ জামিন নিয়ে বেরিয়ে এসে নিরিহ ভুক্তভুগীদের উপর মিথ্যা ও হয়রানি মুলক একাধিধ মামলা করতে থাকে। এভাবে পাল্টা-পাল্টি উভয়েদের বিরুদ্ধে প্রায় ৭ থেকে ৮ মামলা হয়।
এলাকার একাধিক সুত্রে জানা যায়,স্বামী-স্ত্রী কু-পরামর্শ করে গোপনে স্বামী সবুজকে সৌদী আরব পাঠিয়ে, জান্নাতুন হিয়া তার স্ত্রী ৪জন নামিও ও কয়েক জন অজ্ঞাতকে আসামী করে, বাড়ী থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার নাটক সাজিয়ে, গত ২৮/০৮/২১ ইং তারিখে নওগাঁ মোকাম ১নং আমলী আদালতে মামলা করে। যার নং-৫৮৫/২০২১ ইং নওগাঁ। এই মিথ্যা মামলার জন্য তারা সবাই বাড়ী ছাড়া হয়ে আছে। সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে সবুজ ও তার স্ত্রী জান্নাতুনের বিচার চান তারা।

এর কিছুদিন পর সৌদী আরবে কর্মরত বাঙ্গালীদের মাঝে চরম ভাবে বিষয়টি নাড়া দেয়। সবুজ দালাল, আদম ব্যবসা করার কারণে ওখানকার কর্মরত বাঙ্গালীদের মাঝে একজন পরিচিত মুখ হওয়ায় সবুজকে সৌদী আরবে দেখে সবাই হতাশ হয়ে যায়। সবুজ সৌদীতে বহালতবিয়তে থেকে নিরিহ লোকজনদের উপর গুম মামলা করে বাড়ী ছাড়া করে রেখেছে এ বিষয়টি কেহই মেনে নিতে পারে না।

এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সৌদী আরবে সবুজের চলা ফেরা,মোবাইলে বউয়ের সাথে বসে কথা বলার ভিডিও ভাইরাল হওয়া শুরু হয়।

এক ভিডিওতে দেখা যায়,সবুজ দালাল তার সৌদী বাসার সামনে সিঁড়ির উপর বসে মোবাইলে কথা বলছে,একদল প্রবাসী সেখানে গিয়ে তাকে প্রশ্ন করছে,আপনি নাকি গুম হয়েছেন, আপনার বউ কান্নাকাটি করে বাংলাদেশে মামলা করেছে,নিরিহ লোকজন বাড়ী ছাড়া হয়ে আছে,আপনি এখানে আপনার সৌদী আরবের বাসাতে কি করে আসলেন? সবুজ বলছে, আপনারা কে, আপনাদের উত্তর দেবো কেন? কোন কথা বলা যাবে না, আপনারা ভিডিও বন্ধ করেন এই বলে সে মাক্স মুখে পড়ে।

এই একটি লোক, এতো গুলো মানুষের টাকা নিয়ে, সেটাকা ফেরত বা ভুক্তভগীদের দেশে ফেরত না এনে,সবাইকে নিঃস্ব করে, কোর্টে মামলা করেছে এবং তার বিরুদ্ধেও কয়েকটি মামলা চলমান অবস্থায় থাকাকালীন কি করে এ্যায়ারপোর্ট ইমিগ্রিশন পার হইলো এটাই সচেতন মহলের প্রশ্ন,,,!

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত