1. admin@somoyerpoth.com : somoyerpoth.com :
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সিলেট বিভাগের ৭৭ টি সহ সারাদেশে ৩য় ধাপের ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চুড়ান্ত নানা আয়োজনে পালিত হলো ১৫ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। মঙ্গোলিয়ার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে দারুন জনপ্রিয় অনলাইন শিক্ষা র‍্যাবের হাতে মাদকসহ উলিপুরের সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার-২ কুড়িগ্রামে মৎস্য বিভাগের মা ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান। সিলেটের বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা আবু নছরের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক ছাতক পৌরসভার নামে টোল আদায় বন্ধে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান মালিক ও শ্রমিক সমিতির সভা বড়লেখায় ভোটকেন্দ্র পুনর্বহাল ও নতুন ভোটকেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত না করার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সিলেটে সংবাদকর্মীকে দফায় দফায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা : অভিযোগ সিলেটে অর্থের অভাবে আটক পড়ে আছে ৪২ হাজার ভবনের পরিক্ষা

অবিভাবকহীন দ্বীপের দুর্ভোগের নাম মহেশখালী জেটি দেখার যেন কেউ নেই।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

অবিভাবকহীন দ্বীপের দুর্ভোগের নাম মহেশখালী জেটি
দেখার যেন কেউ নেই।

ছিদ্দিক আহমদ আতিক
চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি

কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর প্রায় সাত লাখ মানুষের দুর্ভোগের নাম এখন মহেশখালী জেটি ঘাট। নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় নৌ যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেকদিন প্রতিনিয়ত কক্সবাজার সদরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়ে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন মহেশখালী উপজেলার বাসিন্দারা। দীর্ঘ সময় ধরে অসংখ্য দুর্ঘটনা ও যাত্রীদের নানা অভিযোগের পরও কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না তদসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রতি বছর এ জেটি থেকে প্রায় ৪০/৫০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হলেও জেটি সম্প্রসারণে কর্তৃপক্ষের মাথাব্যাথা নেই বলে অভিযোগ করেন দ্বীপাঞ্চলের ভুক্তভোগী জনসাধারণ ।

মহেশখালী জেটি ঘাটে নৌযান নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত আবুল কালাম জানান, ভাটা শুরু হলেই মহেশখালী জেটিঘাটে নেমে আসে জনদুর্ভোগ। ভাটা শুরুর পর অল্প সময়ের জন্য ডিঙি নৌকা দিয়ে ট্রলার থেকে জেটিতে যাত্রী পারাপার হলেও প্রায় সময় কক্সবাজার চৌফলন্দি থেকে মহেশখালী তে আসা যাত্রীদের নদীর মাঝখানে অপেক্ষায় থাকতে হয় জোয়ার হওয়া অব্দি নৌকার কোন ব্যবস্থা ও না থাকায় । ভাটা পূর্ণ জেটি থেকে অন্তত ২০০ গজ দূরে আটকে পড়ে সব ধরনের নৌযান। এসময় কোনও নৌযানই ঘাটে ভিড়তে পারে না। এমনকি বিকল্প বাহন ডিঙি নৌকাও চলাচল করতে পারছে না। প্রতিদিন প্রায় ৫ ঘণ্টা এই দুর্ভোগ পোহাতে হয় এই অসহায় দ্বীপের মানুষকে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৮ সালে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার-মহেশখালী নৌপথে ৫০০ মিটার দৈর্ঘ্যের মহেশখালী জেটি নির্মাণ করা হয়। একই সঙ্গে জেটির পাশে আধা কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়। কিন্তু পলি জমে নদীর নাব্যতা হ্রাস পাওয়ায় সংকুচিত হয়ে যায় ঘাট সংলগ্ন নৌপথ।পারাপার সৃষ্টি হয় প্রতিবন্ধকতা।

সীমাহীন ভোগান্তির ফলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় ২০০০ সালে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে জেটিঘাটের ব্রিজটি ১০০ মিটার সম্প্রসারণ করা হয়।কিন্তু প্রাকৃতিক অব্যাহতভাবে নদী ভরাট হতে থাকায় কয়েক বছরের মধ্যে বর্ধিত এই জেটিও সংকুচিত হয়ে যায়। এর ফলে ভাটার সময় কোনও নৌযান জেটিতে ভিড়তে পারছে না।

যাত্রীরা জানান, ভাটার সময় নিরুপায় হয়ে কোমর সমান কাদা আর হাঁটু সমান পানি ভেঙে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে পুরুষ যাত্রীরা কোনওভাবে চলাচল করতে পারলেও নারী, শিশু ও বৃদ্ধ যাত্রীদের চরম কষ্ট হচ্ছে। মুমূর্ষু রোগী তথা ইমারজেন্সি রোগীদের কষ্ট আরও বেশি।

কক্সবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মহেশখালী উপজেলার বাসিন্দা মোহিবুল্লাহ জানান, ‘ঘাটের কারণে এখন সময় মেপে চলাচল করতে হচ্ছে। ভাটা হলেই আর রক্ষা নেই। গত প্রায় এক যুগ ধরে এই দুরাবস্থা চলছে

মহেশখালী-কক্সবাজার নৌ-রুটের নিয়মিত যাত্রী কলেজ প্রভাষক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ঘিরে মহেশখালী এখন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। প্রায় সময় বিভিন্ন ভিআইপি মহেশখালীতে আসছেন। এতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে জেটি ঘাট। তাই মহেশখালী জেটির সম্প্রসারণ করা এখন সময়ের দাবি

এমতাবস্থায় মহেশখালী জেটিঘাট সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কাছে বিশেষ করে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও মহেশখালী উপজেলা প্রশাসক এর কাছে একটায় দাবি একটাই অনুরোধ মহেশখালী জেটিঘাটের উন্নয়ন সংস্করণ এ আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত