1. admin@somoyerpoth.com : somoyerpoth.com :
বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটে ধর্ষনের অভিযোগে টিকটক মান্না গ্রেফতার নানা আয়োজনে পালিত হলো গুইমারা উপজেলা পরিষদের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাটিরাঙ্গায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম সড়কের শুভ উদ্বোধন। সিলেটের বিএনপির সমাবেশে বক্তব্য দিলেন না আরিফ-মুক্তাদির লায়ন মোঃ নূরল ইসলাম, নড়াইল জেলা ও লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর মাজার যিয়ারত করেন। দলীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন উজানগ্রাম ইউপি’র কান্ডারী সানোয়ার মোল্লা বিআরবি গ্রুপের চেয়ারম্যান মজিবর রহমানকে সংবর্ধনা প্রদান সিলেট জেলার ৩য় ধাপের ১৬ টি ইউপির নির্বাচনী ফলাফল প্রতীক বরাদ্দের আগেই ইচ্ছে মত প্রচারণা সিলেটে পরকিয়ার জেরে হত্যার অভিযোগে নারীসহ দুজনের মৃত্যুদন্ড

অবৈধ যানবাহন থেকে টোকেন দিয়ে টাকা উত্তোলনে ব্যস্ত চৌরহাস হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

অবৈধ যানবাহন থেকে টোকেন দিয়ে টাকা উত্তোলনে ব্যস্ত চৌরহাস হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি।

ইমরান হাসান পাপ্পু : কুষ্টিয়ার বিভিন্ন মহাসড়কের মোড়ে মোড়ে চলছে টোল আদায়ের নামে ব‌্যাপক চাঁদাবাজি। গত বছর এ সংক্রান্ত একটি রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে সড়ক পথে ব্যারিকেড দিয়ে টোল আদায় বন্ধের নির্দেশ দিলেও তা কোনো কাজে আসেনি। হাইকোর্টের এ আদেশ যাদের পালন করার কথা, কুষ্টিয়ায় তারাই মহাসড়কে চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত সময় পার করেন। কুষ্টিয়া জেলা জুড়ে সড়ক এবং মহাসড়কে দৌরাত্ম বেড়েছে তিন চাকার যানবাহনের। এর মধ্যে বেশিরভাগই সিএনজি, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, শ্যালো ইঞ্জিন চালিত তিন ও চার চাকার অবৈধ যান। বেশিরভাগ গাড়িরই মহাসড়কে চলার কোনো অনুমতি নেই। নেই গাড়ির ফিটনেস এবং চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স। তার পরেও এসব যানবাহন মহাসড়কগুলোতে চলছে দিন-রাত চব্বিশ ঘন্টা । অভিযোগ রয়েছে কুষ্টিয়া চৌরহাস হাইওয়ের পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন এসব অবৈধ যানবাহনকে মহাসড়কে চলার ব্যাপারে বৈধতা দিয়েছে। অভিনব কায়দার এসব অবৈধ যানবাহন থেকে মাসিক ভিত্তিতে টাকা নিয়ে থাকে চৌরহাস হাইওয়ে পুলিশ। স্থানীয় কয়েকজন হাইওয়ে পুলিশের দালাল,তাদের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা হয়। একেক এলাকার জন্য একেক জন নির্ধারিত। তবে সব টাকা এক স্থানেই জড়ো হয়। এছাড়া সড়কের মোড়ে মোড়ে চাঁদাবাজি তো রয়েছেই।এদিকে হাইওয়ে পুলিশকে টাকা দিয়ে অবৈধ যান চালানোর বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি কোনো চালকই। তবে জানা গেছে- প্রতি মাসে সিএনজি, অটোরিকশা, ফিটনেস বিহীন মাইক্রোবাস, মিনি ট্রাকগুলোর কাছ থেকে নেওয়া টাকার বিনিময়ে দেওয়া হয় মাসিক স্লিপ। যে স্লিপ থাকলে কুষ্টিয়া জেলার কোথাও হাইওয়ে পুলিশ গাড়ি ধরবে না। একে বলে মাসিক টোকেন। আবার স্পেশাল কায়দায় টোকেন ছাড়া যারা চলে, তাদের দেওয়া হয় বিশেষ কার্ড। তবে এসব কার্ডের তথ্য কিংবা টাকার কথাও বলা ভুক্তভোগীদের জন্য রীতিমতো অপরাধ।অনুসন্ধানে জানা যায়- কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে পুলিশ বিভিন্ন সিএনজি অটোরিকশা প্রতি ২৫০ টাকা, ফিটনেস বিহীন মাইক্রোবাস প্রতি ৬০০ টাকা, মিনি ট্রাক ৭০০ এবং স্যালো ইঞ্জিনচালিত গাড়ির ক্ষেত্রে মাসিকের পরিবর্তে প্রতিদিন একটি টোকেন মানি নিয়ে থাকে। এসব টাকার জন্য বিভিন্ন স্থানে দালাল নিযুক্ত করা রয়েছে। কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে পুলিশের কিছু সদস্য সময় মতো এসব টাকা নিয়ে যান।এছাড়াও পৌর এলাকার নাম করে এসব যানবাহনের কাছ থেকে প্রতিদিন টাকা নেওয়া হয়। বিনিময়ে দেওয়া হয় টোকেন। কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে চলাচলের জন্য অবৈধ যানবাহনের শুধুমাত্র টোকেনই যথেষ্ট। কিন্তু জেলার বাইরে চলাচলের জন্য প্রয়োজন হয় হাইওয়ে পুলিশের দেওয়া ভিজিটিং কার্ড। কুষ্টিয়া জেলা সিএনজি টেম্পু মালিক চালক সমিতি সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার জেলার কুষ্টিয়া-বামুন্দী, কুষ্টিয়া-ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া-পোড়াদহ, কুষ্টিয়া-কুমারখালী, কুষ্টিয়া-রূপপুর, কুষ্টিয়া-শেখপাড়া,ভেড়ামারা-দৌলতপুরসহ জেলার বিভিন্ন রুটে প্রতিদিন এক হাজার ৭০০ থেকে দুই হাজারের মতো সিএনজি চলাচল করে। একইসঙ্গে নসিমন, করিমনসহ স্থানীয় অবৈধ যানের সংখ্যাও প্রায় ৩-৪ হাজারের মতো।কুষ্টিয়া সদর, মিরপুর, ভেড়ামারা, কুমারখালী, খোকসা পৌর এলাকাগুলোয় পৌর রাস্তা ড্যামারেজ নামে নেওয়া হয় টাকা। দৌলতপুর উপজেলায় নেওয়া হয় উপজেলা পরিষদের নামে টাকা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নসিমন চালক জানান, রাস্তায় চলতে গেলে পদে পদে টাকা দিতে হয়। না হলে হাইওয়ে পুলিশ পেটায়। গাড়ি কেড়ে নেয়। পেটের দায়ে রাস্তায় নামতেই হয়। সরকার হয় এসব গাড়ির অনুমোদন দিক, না হয় গাড়ি তৈরি বন্ধ করে দিক বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজি চালক বলেন, ‘বৈধ-অবৈধ বলে কিছু নেই। হাইওয়ে পুলিশকে টাকা দিলে সব বৈধ। হাইওয়ে পুলিশের দালাল হিসেবে কিছু লোক আছে ,তারাই এসব টোকেন দেয়। জেলার বাইরে যেতে হলে হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ কার্ড নেওয়া লাগে। আর এসব টাকার কোনো হদিস নেই। কারণ, সবই তো অবৈধ। আমাদের কথা বললে কালকেই হাইওয়ে পুলিশ পেটে লাথি দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেবে। কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন থেকে টোকেন দিয়ে টাকা উৎলনের কথা অস্বীকার করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত