1. admin@somoyerpoth.com : somoyerpoth.com :
বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
মাটিরাঙ্গায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম সড়কের শুভ উদ্বোধন। সিলেটের বিএনপির সমাবেশে বক্তব্য দিলেন না আরিফ-মুক্তাদির লায়ন মোঃ নূরল ইসলাম, নড়াইল জেলা ও লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর মাজার যিয়ারত করেন। দলীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন উজানগ্রাম ইউপি’র কান্ডারী সানোয়ার মোল্লা বিআরবি গ্রুপের চেয়ারম্যান মজিবর রহমানকে সংবর্ধনা প্রদান সিলেট জেলার ৩য় ধাপের ১৬ টি ইউপির নির্বাচনী ফলাফল প্রতীক বরাদ্দের আগেই ইচ্ছে মত প্রচারণা সিলেটে পরকিয়ার জেরে হত্যার অভিযোগে নারীসহ দুজনের মৃত্যুদন্ড আসসালামু আলাইকুম প্রানপ্রিয় সহযোদ্ধা সহকর্মীদের সারথি শুভাকাঙ্ক্ষী পর্যটন উদ্যোক্তা হাজী দেলোয়ারসহ পরিবারের সদস্যদের হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ

কুমারখালী নন্দলালপুর ইউপি’র বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের কান্ড : পর্ব-১

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

কুমারখালী নন্দলালপুর ইউপি’র বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের কান্ড : পর্ব-১

কে এম শাহীন রেজা, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি।।

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বিতর্কিত ও ত্রাণের অনিয়মে বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যান নওশের আলীর বিরুদ্ধে মোছাঃ খালেদা খাতুন (৪৫)নামের এক মহিলার ভি,জি,ডির চাউল না দিয়ে তার কার্ডটি কেরে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আগামী ২৩ শে ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেয়েছেন বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নওশের আলী বিশ্বাস।

খালেদা খাতুন নন্দলালপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পুরাতন চরাইকোলের বাসিন্দা। এ বিষয়ে খালেদা খাতুন বলেন, প্রতি মাসের ন্যায় আজ বুধবার আমার ভি,জি,ডির কার্ড নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে চাল উত্তোলন করতে গেলে আমার স্বামীর সাথে চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত বিবাদ থাকায় চেয়ারম্যান আমাকে চাউল না দিয়ে আমার নামের কার্ডটি কেরে নিয়ে আমাকে তাড়িয়ে দেয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী খালেদা খাতুনের স্বামী আমজাদ হোসেন বলেন, চেয়ারম্যানের সাথে আমার ব্যক্তিগত বিবাদ থাকায় ও চেয়ারম্যান একজন দূর্নীতি বাজ লোক হওয়ায় এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা করতে অস্বীকার করায় আমার স্ত্রীর নামের ভি,জি,ডির চাউলের কার্ডটি চেয়ারম্যান কেরে নেয়, আমি টি,এন,ও স্যারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নওশের আলী বলেন, আমজাদ আওয়ামী লীগের সমর্থক হয়েও সে নৌকার বিপক্ষে নির্বাচন করার কথা বলে বেরাচ্ছে, সে কারনে আমি আমজাদের স্ত্রীর ভিজিডির কার্ডটি কেড়ে নিয়েছি।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজনীন ফেরদৌস বলেন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভি,জি,ডির কার্যক্রমের নীতিমালা অনুযায়ী ভি,জি,ডি চাউলের কার্ডটি ভুক্তভোগীর নিজস্ব সম্পদ, তাতে কারো হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। চেয়ারম্যান যদি এমন কাজ করে থাকে তাহলে তিনি তা ঠিক করেননি।

এ বিষয়ে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিতান কুমার মন্ডল বলেন, ভি,জি,ডির চাউলের কার্ড কেড়ে নেওয়ার কোন এখতিয়ার নেই চেয়ারম্যানের, এ ঘটনা সম্পর্কে আমি ইতিমধ্যে অবগত হয়েছি, অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ইতিপূর্বে ত্রাণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান নওশের আলী সহ তিনজন ইউপি সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। স্থানীয় সরকার বিভাগ গত ২৯ এপ্রিল এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল তাদের বিরুদ্ধে।

উক্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ত্রাণ লুটের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। ইউপি সদস্যদের সহযোগিতায় সরকারি ত্রাণ ভুয়া মাস্টাররোলে বিতরণ দেখিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আইন অনুযায়ী তাদের স্বীয় পদ থেকে অপসারণের সুপারিশ করেছিল।

উল্লেখিত চেয়ারম্যান ও সদস্যর সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের মাধ‌্যমে ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন নয় মর্মে সরকার মনে করে। কাজেই স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাদের স্বীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

উক্ত প্রজ্ঞাপনে পৃথক পৃথক কারণ দর্শানো নোটিশে কেন তাদেরকে চূড়ান্তভাবে তাদের পদ থেকে অপসারণ করা হবে না তার জবাব পত্র পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়।

এ ব্যাপারে নন্দলালপুর ইউনিয়নের চড়ইকোল গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বললে, তারা বলেন সরকার ভালুকের হাতে খোনতা দিয়েছে। বর্তমান চেয়ারম্যান নওশের আলী একের পর এক দুর্নীতি করে যাচ্ছেন এবং ধরাও পড়ছেন তার বিরুদ্ধে বরখাস্তের আদেশ আসছে। তবুও তিনি বহাল তবিয়তেই আছেন। এবার নির্বাচনে এই চোরকেই সরকার নৌকার কান্ডারী বানিয়ে দিলেন। এবার জিতলে তিনি আমাদেরকে এলাকাছাড়া করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন তার গুণ্ডাবাহিনী দিয়ে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত